দুলাভাই (Dulabai) আমি তো আপনার বোনের মত এসব কি করছেন?

সারা দিন জার্নি করে দার্জিলিং ছোট আপার বাসায় এসে পৌছে দেখি এলাহি কারবার তার শশুর শাশুড়ী সহ আরো পাঁচ-ছয় জন মেহমান এসেছে গতকাল। তার উপর আমরা মানে বাবা মা (mother) আমি আর রেখা। রেখা হচ্ছে আমার বান্ধবী আমাদের পাড়াতেই বাসা। আমাদের পরিবারের (family) সাথে তাদের পরিবারের গভীর relation । রেখা আমার সাথে একই ক্লাশে পড়ে তবে বয়সে আমার থেকে দুই এক বছরের বড় হবে।

এক এক ক্লাশে দুই বছর করে করে থেকে এখন ১০ম ক্লাশে এসে বয়স প্রায় ২২ হবে। আমারো একই দশা। বারদুয়েক মেট্রিক ফেল করেছি সেটাতো আগেই বলেছি। ওদিকে রেখা আমার থেকে একধাপ এগিয়ে- ছেলেদের সাথে ঢলাঢলি বুক টিপাটিপি এমনকি শোওয়ারও অভিঞ্জতা রেখার আছে। সে তার এসব অভীঞ্জতার কথা আমাকে বলে। আর আমাদের ছোট দুলাভাইও(Dulabai) একটা লুচ্চা। মেয়েদের দিকে সব সময় লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকায়। আমাদের বাসায় যতবার আসে ততবারই আমার উপর চান্স নিতে চায় আমি চান্স দেই নাই। তবে রেখার উপর একটু আধটু চান্স নিয়েছে। আপা-দুলাভাই(Dulabai) আমাদের বাসায় আসলে রেখা তাদেরকে দেখতে আসে। দুলাভাই হিসাবে তার সাথে ঠাট্টা তামাশা করে। একবার দুলাভাইয়ের মুখে কাচাহলুদের রং মাখিয়ে পালিয়েছিল। দুলাভাইও সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। পরে রেখা আমাকে এসব কথা বলেছে। আমাকে জিঞ্জেস করেছিল আমার সাথে এসব কিছু করেছে কি না। আমি বলেছি আমি চান্স দেই নাই। সে বলে চান্স দিস না কেন আমার তো ভালই লাগে, তোর ছোট দুলাভাইটা না দারুন জলি। এই জন্যই রেখা ছোট আপার বাসায় যেতে এত আগ্রহী। আমরা দার্জিলিং যাচ্ছি শুনে সে বলল -আমাকে নিবি তোদের সাথে?

আচ্ছা- মা কে বলে দেখি। কিন্তু তোর বাসা থেকে যেতে দেবে তো। খালা যদি বলে তবে যেতে দেবে না কেন? আচ্ছা আমি মা (mother)কে বলব তোর কথা।
যাই হোক শেষ পর্যন্ত রেখা তার বাসা থেকে আমাদের সাথে ছোট আপার বাসায় যাওয়ার অনুমতি পেল। রাতে খাওয়া দাওয়ার পর এখন চিন্তা শোয়া হবে কোথায়। ছোটদুলাভাই(Dulabai) পাশের বাসায় গেল, সে বাসায় ভদ্রলোক একা আছে তার ফ্যামিলি গেছে দেরাদুন। দুলাভাই (Dulabai)খবর নিয়ে এসেছে এই পাসের বাসায় দু তিনজন থাকা যাবে। ঠিক হল আমি রেখা আর ছোটদুলাভাই এই তিনজন যাব পাশের বাসায় থাকতে। সেখানে দুইটা রুম আছে একটাতে থাকব আমি আর রেখা আর আরেকটাতে থাকবেন ছোট দুলাভাই আর পাশের বাসার ভদ্রলোক। আমাদের নিয়ে এসে পরিচয় করিয়ে দিয়ে গেলেন আপা, -এইযে ভাই এ হচ্ছে আমার বোন নিহা আর ওর বান্ধবি রেখা। আর ইনি হচ্ছেন আমাদের বিশেষ বন্ধু টিপু ভাই। -ভাবী মানে উনার ওয়াইফ বাপের বাড়ী গেছে কিছুদিনের জন্য। টিপু ভাই আমাদেরকে স্বাগত জানাল আরে নিহা কেমন আছ কখন আসলে? মারুফ ভাইয়ের শালী যখন তখন আমারওতো শালী কি বল তুমি। মারুফ হচ্ছে ছোটদুলা ভাইয়ের নাম।
-হ্যা দুলা ভাই ভালো আছি আপনি কেমন আছেন,
-ভালো ভালো তোমাদের মত শালি যাদের তারা কি আর খারাপ থাকতে পারে। দুলাভাই (Dulabai)খালি বেশি কথা বলেন। না না বেশি আর কি বললাম। তা খেয়ে এসেছ নাকি রান্না করবো? না খেয়েই এসেছি। তখন ছোট দুলা ভাইও এসে ঢুকলো। আচ্ছা ভাবি আপনি যান ওদিকে ব্যাবস্থা করেন গিয়ে আমি দেখছি এখানে, ওরা এই রু্মেই থাকবে আমি দেখিয়ে দিচ্ছি, পাশের রুমে নিয়ে গেলেন বিছানা দেখিয়ে দিলেন। বললেন, তুমরা তাহলে শুয়ে পড় অনেক লম্বা জার্নি করে এসেছ, আমরা বসে একটু টিভিতে সিরিয়ালটা দেখে শোব। ছোট দুলাভাই পাশের রুম থেকে চেচিয়ে বলল তোমরা টিভি দেখবে নাকি ?

হা আমরাও দেখবো, বলল রেখা। দেখবে তাহলে আস দেখ। টিভি দেখার ফাকে ফাকে নানান আলাপ গল্প হাসি তামসা হচ্ছিলো, এর মধ্যেই সকলের সাথে সম্পর্কটা (relation) বেশ সহজ হয়ে এলো, বলেই ফেললাম বাহ টিপু দুলাভাই (Dulabai)আপনি এতো সুন্দর করে কথা বলেন,
কথা কি আর বললাম-তোমাদের মত সুন্দরী শালী কাছে থাকলে কথা আপনা আপনি মুখ থেকে বেরিয়ে আসে। আচ্ছা তোমরা চা (tea)খাবে নাকি লম্বা জার্নি করেছ ভালো লাগবে, কে বানাবে আপনি বানাবেন?

মাথা খারাপ দুই দুইটা শালি ঘরে থাকতে কোন বোকা চা (tea) বানিয়ে খায় বল। রেখা বলল না দুলাভাই (Dulabai)আমি বানিয়ে আনছি আপনি বসেন। আমি রেখার সাথে রান্নাঘরে গেলাম। রেখা বলল আজ দুলাভাইদের(Dulabai) সাথে একটু ফষ্টি নষ্টি করব। আমি বললাম বেশী কিছু করিস না। সে বলল তুইও করবি- দুজন দুই দুলা ভাইয়ের সাথে।

আমি আর মামী শুয়ে আছি, হঠাৎ বাবা এসে মামীকে জড়িয়ে ধরে…
আমি কথাগুলো ঠিক কোথা থেকে শুরু করবো বুঝতে পারছি না। আমার জন্মের পর থেকে দেখে আসছি মা আর বাবার ঝগড়া আর মারামারি। বাবা মায়ের ঝগড়ার কারণে তখন থেকেই আমার মেজাজ খুব খিটখিটে হয়ে যায়।বাবার খুব খারাপ কাজে হাত আছে, যা দেখার পর আমার মনের অবস্থা আকাশ দুই ভাগ হয়ে যাওয়ার মতন হয়। আমি তখন ক্লাস ৫/৬ এ পড়ি। আমি আর আমার মামী শুয়ে আছি। হঠাৎ দেখি বাবা এসে মামীকে জড়িয়ে ধরছে।

ঐ রাতে আমার প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছিলো আর মনে হচ্ছিল রাত যেন শেষই হয় না। কয়েক বছর পর আমার ছোট ভাই এক দুর্ঘটনায় মারা যায়। সে চলে যাওয়ার পর আমি খুব একা হয়ে গিয়েছিলাম, ধীরে ধীরে জানতে পারি আমি নাকি তাদের আসল সন্তান না।

এটা জানার পর আমি আরো ভেঙ্গে পড়ি। এসএসসি দেওয়ার পর আমি নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করি কিন্তু বার বার হেরে যেতে থাকি। ওদিকে মা বাবার ঝগড়া আরো বাড়তে থাকে। আমাদের ঘরে যত কাজের লোক রাখা হত সবার সাথে বাবা মানে ওই জানোয়ারটা দৈহিক সম্পর্ক (relation) স্থাপন করত। এইচএসসি’র আগে আমি ঘর থেকে বের হয়ে যাই কিন্তু মা (mother) কান্নাকাটি শুরু করলে আবার ফিরে আসি।
আমি এই নরক থেকে বাঁচতে চাই। আমার পরীক্ষা চলাকালীন সময় মা (mother)ছোট বেলায় আমাকে যেভাবে এনেছিলো সেভাবে আরেকটি শিশুকে দত্তক আনে। আমি বুঝে পাই না, যেখানে আমাদের পরিবার (family) ঠিক নেই সেখানে এই নিষ্পাপ বাচ্চাটিকে (baby) কেন তিনি এনেছেন।
বাচ্চাটার (baby) প্রতি এখন মায়া জমে গেছে। কিছুদিন আগেও আমরা বাইরে গিয়েছিলাম। এসে শুনি আমাদের কাজের ছেলেকে ঐ জানোয়ারটা শারীরিকভাবে ব্যবহার করেছে। শুনে, আমি চিৎকার করে ছোটবেলায় দেখা জঘন্য কাজের কথাগুলো বলি। আমার মা আমাকে অবাক করে দিয়ে বলেন, সে আমাদের আরো অনেক নারী আত্মীয়র সঙ্গেই এমনটা করেছে। তার টাকা আছে বলে সবার মুখ বন্ধ করে রাখে। যদিও পরে সব ই জানাজানি হয়। আমি একটা রাত ও ঘুমাতে পারিনা। কাঁদতে কাঁদতে এখন চোখের জল ও শুকিয়ে গেছে। মায়ের অবস্থাও ভালোনা।
দিন দিন অসুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। আমি বারবার বলেছি ঘর থেকে বের হয়ে যাই কিন্তু মা (mother)রাজী হচ্ছেন না। মা একটি হাসপাতালের নার্স। চলার মত যথেষ্ট টাকাও আছে। তবুও তিনি এখানেই আছেন। আমি এই নরক থেকে মুক্তি চাই। ছোট ভাইটাকে শিক্ষিত করতে চাই। এই বাচ্চাটিকে (baby) এই নরকে রেখে তার ভবিষ্যৎ অন্ধকার করতে চাইনা। আমি কী করবো এখন?”

পরামর্শঃ
আপু। খুব কষ্ট লাগল তোমার চিঠিটি পড়ে। তুমি লেখোনি যে এই মুহূর্তে কীসে পরছ বা কী করছ। সেটা বললে উত্তর দিতে সুবিধা হতো আমার। যাই হোক আপু, প্রথম কথা হচ্ছে তুমি নিজে খুব সাবধান থাকো। সবচাইতে ভালো হয় হলে বা হোস্টেলে চলে গেলে। যে লোক কাজের ছেলেকেও রেপ করতে পারে, তার জন্য তোমাকে রেপ করা কোন বিষয় না।
এই মুহূর্তে সেই বাড়িতে তুমিই সবচাইতে রিস্কে আছো। তাই সবার আগে নিজেকে নিরাপদ করার চেষ্টা করো। আর যেভাবেই হোক আপু, স্বনির্ভর হয়ে উঠতে চেষ্টা করো। লেখাপড়া শেষ না হয়ে থাকলে পার্ট টাইম job বা টিউশনি করতে পার।
দ্বিতীয়ত, মাকে(mother) খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে বলো যে কেন তোমাকে এখান থেকে চলে যেতে হবে। জানোয়ারটা যে তোমার দিকেও হাত বাড়াতে পারে, সেটা তাকে বুঝিয়ে বল। তোমরা চলে যাওয়ার পর লোকটা কোন ঝামেলা করলে যে আইনি সহায়তা নেয়া যাবে, সেটাও বুঝিয়ে বলো মাকে। তারপরও মা যদি রাজি না হন, নিজে আলাদা হয়ে যাও। আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়ে ওঠো। একবার নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে গেলে তখন নিজের ভাই, এমনকি মায়েরও দায়িত্বও নিতে পারবে।

2 thoughts on “দুলাভাই (Dulabai) আমি তো আপনার বোনের মত এসব কি করছেন?”

  1. Dear Sir/mdm,

    Our company Resinscales is looking for distributors and resellers for its unique product: ready-made tank models from the popular massively multiplayer online game – World of Tanks.

    Such models are designed for fans of the game WoT and collectors of military models.

    What makes our tank models stand out?

    – We are focusing on tanks not manfactured by any companies, therefore we have no competitors
    – Accurately made in 1/35 scale
    – Very high accuracy of details and colors
    – The price of the model tank is the same as the production cost

    If you are interested to be our distributor/reseller then please let us know from the contacts below.

    https://www.resinscales.com/
    https://www.facebook.com/resinscales.models/
    contact@resinscales.com

    Ignore this message if it had been wrongly sent to you.

    Reply

Leave a Comment