কিভাবে হবেন ক্লাসের সেরা ছাত্র

ব্যক্তি জীবনে নিজেকে ভালো স্থানে দেখতে পছন্দ করে  না এমন মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতে নেই বললেই চলে। তবে যদি থেকেও থাকে সেইটা তার দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কিছুই না। আমি মনে করি সেই রকম মানুষ পৃথিবীতে নেই। যাই হউক জীবনের একেক স্তর আছে সেই স্তর অনুযায়ী নিজেকে উপযুক্ত করে তুলতে পারার নাম-ই হয়তো জীবন না না তুলতে পারার নাম- ই হয়তো অভিশপ্ত জীবন।

সেটা যাই হউক না কেন কিভাবে একজন মানুষ তার নিজের জীবনের প্রথম ধাপকে অভিশপ্ত করে তুলবে সেই বিষয় নয় বরং একজন মানুষ তার জীবনের প্রথম ধাপ অর্থাৎ তার ছাত্র জীবনকে কিভাবে সফল করে তুলবে বা কিভাবে নিজেকে ক্লাসের সেরা ছাত্রে হিসেবে গড়ে তুলবে সেই বিষয়েই জানাবো আজ।

আমরা অনেকেই আমাদের ছাত্র জীবনটাকে অভিশপ্ত মনে করে থাকি। আর অভিশপ্ত মনে না করার কোন কারন-ই তো থাকে না বরং বিরক্তির মনে করে থাকি অনেকেই। আর এর পিছনে একটা বড় কারন হিসেবে যে বিষয়টি আসে সেটা হলো আমাদের ব্যর্থতা। আমাদের আশেপাশে থাকা বন্ধু/বান্ধবী সবাই অনেক ভালো ফলাফল করে থাকে পরীক্ষায়। তাদের ক্লাসের পারফমেঞ্চ ও থাকে অনেক ভালো। তাই তাদের মধ্যে থাকে ক্লাসের সেরা ছাত্র/ ছাত্রী হওয়ার তীব্র প্রতিযোগীতা। আর সেইখানে আমাদের অবস্থান থাকে একদম শেষের নামটা। আমাদেরও কখনও কখনও মন চায় সেই সেরার মুকুটটি পরার। কিন্তু কিভাবে?

কে হতে না চায় ক্লাসের সেরা ছাত্র! আমিও হতে চাই, হয়েই দেখবো। কিন্তু কিভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতেই আজকের এই পোস্ট। শুধুমাত্র ভালো ছাত্র নয় বরং প্রতিটা ক্ষেত্রে নিজেকে সেরা করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে অনুসরণ করতে হবে রুটিন। যখন আপনি নিজেকে একটি নির্দিষ্ট রুটিনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন তখনি আপনার মাঝে ভালো কিছুর উদয় হতে থাকবে। তাই আমি বলতে চাচ্ছি ক্লাসের সেরা ছাত্র হতে হলে প্রথমেই আপনাকে একটি নির্দিষ্ট রুটিন এ আসতে হবে। আর সেই রুটিন মাফিক চলতে হবে আপনাকে।

আর এই রুটিন এ আপনাকে অবশ্যই আপনার প্রতিদিনের কাজগুলোকে লিপিবদ্ধ করতে হবে। আর সেই কাজগুলোর জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে নিতে হবে। আর আপনি যদি সেই সময় অনুযায়ী আপনার কাজগুলোকে সঠিক করে নিতে পারেন তাহলেই আপনি সেরা। আসা করি ফলাফলটা নিজে থেকেই অনুভবও করতে পারবেন নিজে থেকেই।

এর জন্য আপনি আপনার খেলাধুলার সময়টাকে নির্ধারণ করে নিন। আপনার খাওয়ার সময়টাকেও অবশ্যই নির্ধারণ করে নিতে হবে। এছাড়াও আপনার প্রতিটা কাজকেই সময়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে নিতে হবে। সকল কাজকে এমন একটি সময়ের মাঝে রাখতে হবে যেন আপনি আপনার পড়াশোনার সময়টা কে একটু বড় রাখতে পারেন। অর্থাৎ পড়াশোনার সময়টা যেন আপনার জন্য পর্যাপ্ত হয়।  বইয়ের সাথে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন দেখবেন অবশ্যই আপনার ক্লাসের পারফমেঞ্চ ভালো হচ্ছে। আর ক্লাসের পারফমেঞ্চ ভালো হওয়ার মানেই পরীক্ষার ফলাফল অবশ্যই ভালো আসবে।

ও হ্যাঁ, একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সব কিছুর সাথে আপনাকে যে কাজটি সবচেয়ের গুরুত্বের সাথে করতে হবে সেটি হলো  একজন শিক্ষক যখন কোনো বিষয়ে আলোচনা করবে সেইটা খুব ভালোভাবে শুনতে হবে এবং বুঝতেও হবে। না বুঝলে শিক্ষকের কাছ থেকে বুঝে নিতে হবে।

আশা রাখছি উল্লিখিত টিপ্সগুলো অনুসরন করলে আপনি -ই হবেন ক্লাসের সেরা ছাত্র/ছাত্রী। ধন্যবাদ সবাইকে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *